1. masudkhan89@yahoo.com : admin :
  2. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
  3. news.chardike24@gmail.com : চারদিকে ২৪.কম : রাইসা আক্তার
শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২, ০২:১৯ পূর্বাহ্ন

ফাইজারের তিন ডোজ ঠেকাবে ওমিক্রন

  • আপডেট সময়: বুধবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ২৭ দেখেছেন
করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন বিশ্বব্যাপি নতুন শংকার সৃষ্টি করেছে

হেলথ ডেস্ক: করোনা প্রতিরোধী ফাইজারের তিন ডোজ করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন রুখে দিতে সক্ষম হবে। বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ফাইজার ও জার্মানির প্রতিষ্ঠান বায়ো-এনটেক যৌথ বিবৃতিতে এমনটি জানিয়েছে।

ওমিক্রনের ওপর ফাইজারের টিকার কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণাগারে পরীক্ষার পর প্রাপ্ত ফলের বরাত দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফাইজারের টিকার দুই ডোজ নতুন ও অতিসংক্রামক ধরনটির বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি করতে পারছে না। তবে তৃতীয় ডোজটি দেয়ার পরই দেখা গেছে আক্রান্তের শরীরে ওমিক্রন প্রতিরোধী ক্ষমতা বেড়ে যায় ২৫ শতাংশ।

কমপক্ষে এক মাস আগে ফাইজারের তৃতীয় বা বুস্টার ডোজ নেয়া ব্যক্তির রক্তের নমুনা পরীক্ষায় দেখা গেছে, তাদের করোনার নতুন ধরণ ওমিক্রনে আক্রান্ত হওয়র আশঙ্কা অনেক কম।

ফাইজারের শীর্ষ কর্মকর্তা আলবার্ট বৌরলার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যারা ফাইজারের প্রথম দুই ডোজ নিয়েছেন তাদের দ্রুত বুস্টার ডোজ নিয়ে নিতে হবে। এই ডোজই ওমিক্রনের বিরুদ্ধে মানব শরীরে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম।

ফাইজার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বুস্টার ডোজ নেয়ার পরামর্শ থাকলেও ওমিক্রন প্রতিরোধী টিকা তৈরিতে তাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এই প্রতিবেদনের সঙ্গে সাউথ আফ্রিকায় করোনা গবেষণা সংস্থা আফ্রিকা হেলথ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের গবেষকদের দেয়া তথ্যের অনেক মিল রয়েছে। সাউথ আফ্রিকার গবেষকরা জানিয়েছেন, ‘করোনার প্রথম দুই ডোজের প্রতিরোধ শক্তিকে ওমিক্রন এড়িয়ে যেতে পারলেও তৃতীয় ডোজটি সংক্রমণকে রুখে দিতে পারে।’

গত আগস্টে সাউথ আফ্রিকায় করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন শনাক্ত করেন বিজ্ঞানীরা। প্রতিবেশী বোতসোয়ানার পাশাপাশি হংকংয়েও ছড়িয়েছে বি ওয়ান ওয়ান ফাইভ টু নাইন নামের ধরনটি। গত ৩০ আগস্ট দেশটিতে সি ওয়ান টু নামের নতুন একটি ধরন শনাক্ত হয়েছিল।

পরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) নতুন ধরনটির নাম দেয় ওমিক্রন।

সাউথ আফ্রিকার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জো ফাহলা জোহানেসবার্গে গত ২৫ নভেম্বর সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘করোনার নতুন এই ধরনটি অন্যান্য ধরনের চেয়ে দ্রুত মিউটেশন করতে পারে। দ্রুত পরিবর্তন হওয়ায় টিকা খুব একটা কাজ করছে না। এ কারণে সংক্রমণ বাড়ছে। মাসের শুরুতে দৈনিক সংক্রমণ গড়ে এক শ থাকলেও তিন সপ্তাহের ব্যবধানে তা ১২ গুণ বেড়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে ভাইরাস বিশেষজ্ঞ টুলিও ডি অলিভেইরা জানিয়েছেন, নতুন ধরনটির কমপক্ষে ১০টি রূপ এখন পর্যন্ত তারা শনাক্ত করতে পেরেছেন। যদিও ডেলটা ধরনের রূপ রয়েছে কেবল দুটি আর বেটার রয়েছে তিনটি।

বিজ্ঞানীরা জানান, নতুন ধরনের এমন ঊর্ধ্বমুখী শনাক্তের হার সাউথ আফ্রিকাসহ পাশের দেশগুলোতে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

করোনা প্রতিরোধী ফাইজারের তিন ডোজ করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন রুখে দিতে সক্ষম হবে। বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ফাইজার ও জার্মানির প্রতিষ্ঠান বায়ো-এনটেক যৌথ বিবৃতিতে এমনটি জানিয়েছে।

ওমিক্রনের ওপর ফাইজারের টিকার কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণাগারে পরীক্ষার পর প্রাপ্ত ফলের বরাত দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফাইজারের টিকার দুই ডোজ নতুন ও অতিসংক্রামক ধরনটির বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি করতে পারছে না। তবে তৃতীয় ডোজটি দেয়ার পরই দেখা গেছে আক্রান্তের শরীরে ওমিক্রন প্রতিরোধী ক্ষমতা বেড়ে যায় ২৫ শতাংশ।

কমপক্ষে এক মাস আগে ফাইজারের তৃতীয় বা বুস্টার ডোজ নেয়া ব্যক্তির রক্তের নমুনা পরীক্ষায় দেখা গেছে, তাদের করোনার নতুন ধরণ ওমিক্রনে আক্রান্ত হওয়র আশঙ্কা অনেক কম।

ফাইজারের শীর্ষ কর্মকর্তা আলবার্ট বৌরলার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যারা ফাইজারের প্রথম দুই ডোজ নিয়েছেন তাদের দ্রুত বুস্টার ডোজ নিয়ে নিতে হবে। এই ডোজই ওমিক্রনের বিরুদ্ধে মানব শরীরে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম।

ফাইজার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বুস্টার ডোজ নেয়ার পরামর্শ থাকলেও ওমিক্রন প্রতিরোধী টিকা তৈরিতে তাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এই প্রতিবেদনের সঙ্গে সাউথ আফ্রিকায় করোনা গবেষণা সংস্থা আফ্রিকা হেলথ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের গবেষকদের দেয়া তথ্যের অনেক মিল রয়েছে। সাউথ আফ্রিকার গবেষকরা জানিয়েছেন, ‘করোনার প্রথম দুই ডোজের প্রতিরোধ শক্তিকে ওমিক্রন এড়িয়ে যেতে পারলেও তৃতীয় ডোজটি সংক্রমণকে রুখে দিতে পারে।’

গত আগস্টে সাউথ আফ্রিকায় করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন শনাক্ত করেন বিজ্ঞানীরা। প্রতিবেশী বোতসোয়ানার পাশাপাশি হংকংয়েও ছড়িয়েছে বি ওয়ান ওয়ান ফাইভ টু নাইন নামের ধরনটি। গত ৩০ আগস্ট দেশটিতে সি ওয়ান টু নামের নতুন একটি ধরন শনাক্ত হয়েছিল।

পরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) নতুন ধরনটির নাম দেয় ওমিক্রন।

সাউথ আফ্রিকার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জো ফাহলা জোহানেসবার্গে গত ২৫ নভেম্বর সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘করোনার নতুন এই ধরনটি অন্যান্য ধরনের চেয়ে দ্রুত মিউটেশন করতে পারে। দ্রুত পরিবর্তন হওয়ায় টিকা খুব একটা কাজ করছে না। এ কারণে সংক্রমণ বাড়ছে। মাসের শুরুতে দৈনিক সংক্রমণ গড়ে এক শ থাকলেও তিন সপ্তাহের ব্যবধানে তা ১২ গুণ বেড়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে ভাইরাস বিশেষজ্ঞ টুলিও ডি অলিভেইরা জানিয়েছেন, নতুন ধরনটির কমপক্ষে ১০টি রূপ এখন পর্যন্ত তারা শনাক্ত করতে পেরেছেন। যদিও ডেলটা ধরনের রূপ রয়েছে কেবল দুটি আর বেটার রয়েছে তিনটি।

বিজ্ঞানীরা জানান, নতুন ধরনের এমন ঊর্ধ্বমুখী শনাক্তের হার সাউথ আফ্রিকাসহ পাশের দেশগুলোতে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published.

একই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2021 Chardike24.com
ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট @ ইজি আইটি সল্যুশন