1. masudkhan89@yahoo.com : admin :
  2. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
  3. news.chardike24@gmail.com : চারদিকে ২৪.কম : রাইসা আক্তার
শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২, ০২:১৬ পূর্বাহ্ন

স্থায়ী বাসস্থান : আল মামুন জাহানগীর

  • আপডেট সময়: শুক্রবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১০৭ দেখেছেন
এদিকে ভাইয়েরা আমাদের পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করার জন্য জায়গা ঠিক করে রেখেছে। কিন্তু মৃত্যু কখন হবে কোথায় হবে কেউ তো জানে না
মাথা গোঁজার জন্য প্রত্যেরই একটি স্থায়ী বাসস্থান  থাকতে হয়। কোন লোক যেখানেই জন্ম গ্রহন করুক ধনী কিংবা গরীব, সে সামর্থবান হয়েই তার অবস্থা উন্নয়ন করতে চায়। মাটির ঘর হতে  ছনের বা বাঁশের ঘরে, এবং তা হতে টিনের বা পাকা ঘরে। দ্রব্য সামগ্রী বা আসবাব পত্রও আধুনিক করার চেষ্টা করে। গ্রাম অঞ্চল হতে শহর অঞ্চলে, দরিদ্র দেশ থেকে  স্বল্প উন্নত দেশে, তা থেকে উন্নত দেশে। এ যেন আরাম আয়াসে থাকার জন্য স্থান পরিবর্তনের প্রতিযোগিতা। সর্বোচ্চ ৮০ বছর বাঁচার জন্য আমাদের এত আয়োজন। আমরা এ পৃথিবীতে চিরকাল থাকতে পারব না জেনেও কেন এত নির্বুদ্ধিতা? এর অন্য একটা কারণ হয়ত তার মৃত্যুর পর তা ভোগ করবে তার উত্তরাধিকারীরা। কিন্তু উন্নত দেশে তার ব্যতিক্রম। বাবার যত সম্পদ থাকুক সে  দেশের মেয়েরা সে ছেলেকে বিয়ে করবেনা যে স্বাবলম্বী নয়। ফলে বিয়ের পরেই তারা আলাদা বাড়ীতে বসবাস করে। তাতে নিজ বাড়ীই হয় বাবা- মার বৃদ্ধাশ্রম।কেহ কেহ আবার  কুত্তা- বিলাইকে  সাথী করে বার্ধক্য কাটায়।
কিন্তু আমার  ক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম। আমি নিজ হতে কিছুই করি নি। আল্লাহর ইচ্ছায়ই আমি এক স্থান থেকে অন্যস্থানে ভেসে বেড়াচ্ছি।
আমার জন্ম দেবিদ্বার উপজেলার মরিচা গ্রামে নানা বাড়ীতে হলেও আমার পৈতৃক বাড়ী গজারিয়া উপজেলার পুরান বাউশিয়া। আমার শৈশব কেটেছে নিজ গ্রামে মাধ্যমিক পরীক্ষা পাশ পর্যন্ত। মেট্টিক পাশ করেছিলাম ভবেরচর ওয়াজির আলী হাই স্কুল হতে। উচ্চ শিক্ষার জন্য আমাকে ঢাকা যেতে হয়। জগন্নাথ কলেজ হতে বিজ্ঞান বিভাগে এইচ এস সি পাশ করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিতে অনার্স করার পর মাস্টার্স করি। শিক্ষা জীবন শেষে আমার যখন চট্টগ্রামস্থ বর্তমান হাজী মহসিন কলেজের প্রভাষক হিসাবে পোস্টিং হয় তখন আপনদের কাছ থেকে দূরে চলে যাচ্ছি এ যাতনার পরেও মনে এই সান্তনা ছিল যে, যৌবনে প্রথম দিকে দেশের দূর- দূরান্তে বেড়িয়ে মানুষের সাথে পরিচিত হব, নিজ দেশকে জানব এবং বার্ধক্যে ঢাকাতে বদলী হয়ে বাড়ী বানিয়ে স্থায়ী হব, আপনদের সান্নিধ্যে যাব, অভিজ্ঞতা দ্বারা গজারিয়া এলাকার উন্নয়নে নিয়োজিত হব। কিন্তু তা কোনদিনও হয়ে উঠল না। সহকারী অধ্যাপক হিসাবে চট্টগ্রাম কলেজসহ সেখানে ১৪ টি বছর কেটে গেল।সহযোগী অধ্যাপক হিসাবে নোয়াখালী কলেজে যোগদান করলেও উপাধ্যক্ষ হয়ে ১২ টি বছর কাটিয়ে দিলাম। এরপর শরীয়তপুর কলের ভারপ্রাপ্তে অধ্যক্ষ ও দিনাজপুর কলেজে অধ্যাপক ও গণিতের বিভাগীয় প্রধান হিসাবে সর্বমোট ১ বছর কাটালাম। সর্বশেষে ৬ বছরের অধিক সময় খাগড়াছড়ি কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালনে শেষে অবসর গ্রহণ করি। কর্মজীবনে মূলত চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীর মাইজদী আবাসিক ফ্ল্যাটে বসবাস করেছি।
আমার বাবা মনির হোসেন জাহাঙ্গীর আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয় হতে পাশ করেও সারা জনম জনসেবায় আত্ম নিয়োগ করেছিলেন। পক্ষান্তরে আমার শ্বশুর ১৯৩৩ সালে কলিকাতা হতে এমবি পাশ করলেও  গ্রামের দু:স্থ রোগীদের অসহায়ত্বের কথা ভেবে বর্তমান মধুখালী উপজেলাস্থ কামারখালীতে ডিস্পেনসারি খুলে স্থানীয় রোগীদের চিকিৎসা শুরু করেন। তিনি নাম মাত্র ভিজিটে, গরীবদের বিনা পয়সায় এমনকি বাড়ীতে রেখে ও খাওয়ায়ে চিকিৎসা করতেন। ফলে জনসাধারণের সাথে তাঁর গভীর সম্পর্ক সৃষ্টি হয়।  এভাবে উভয়ে গ্রামের মানুষের নয়ন মনি হয়েছেন।
শহরের কোন অভিজাত কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ের আয়োজন করলে এলাকার হাজারো ভক্তরা তাদের প্রিয় জনের মেয়ের বিয়ে খাবার আনন্দ হতে বঞ্চিত হবে ভেবে কন্যার পিত্রালয়েই জাকজমকের সাথে আমার বিয়ে অনুষ্ঠিত হল। কিন্তু  শহরে অবস্থানরত ব্যস্ততম আত্মীয়রা যোগদান করতে পারেনি।উভয় কুল রক্ষা করা যায় না। বিয়ের কিছুদিন পর স্ত্রী  আমাকে তার বড় বড় আত্মীয়দের বাসায় নিয়ে গেল পরিচয় করায়ে দেবার জন্য। তার অধিকাংশ আত্মীয়রাই ঢাকার অভিজাত এলাকা ধানমন্ডিতে থাকেন। তাঁরা কেউ ডেপুটি এটোর্নি জেনারেল, কেউ রেলওয়ের প্রধান প্রকৌশলী ,আরো কতো কি?
প্রথমেই আমরা গেলাম বড় মামার বাসায়।এই মামা বাংলাদেশের স্বনামধন্য শল্য চিকিৎসক ডা: কাজী শামছুল আলম( কে এস আলম)। আমাকে দেখা মাত্রই মামা বললেন, আরে এই ছেলে তো বিদেশে যাবে, আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি। আমি তো ভেবে পাই না  কিভাবে আমি বিদেশে যাবো? নিজের যোগ্যতা বা সামর্থ দিয়ে তো সম্ভব নয়।
এখন ডাক্তারের কাছে কোন রোগী  গেলেই এক গাদা পরীক্ষার ফরমাইশ দেয়। পরীক্ষা নিরিক্ষার আধুনিক যন্ত্রপাতি আবিষ্কৃত হওয়াতে সব রকমের টেষ্ট করায়ে রোগ সঠিকভাবে নির্ধারণ করে চিকিৎসা চালান। এতে করে সাধারণদের মনে ডাক্তারদের ব্যবসায়িক মনোবৃত্তির সন্দেহ পোষন অমূলক নয়। আগে রোগ পরীক্ষার কোন যন্ত্রপাতি না থাকাতে  রোগের নমুনা দেখেই চিকিৎসা চলত। অনেক ডাক্তার রোগীকে দেখেই রোগ শনাক্ত করতে পারতেন। তবে এটা জানা ছিল না যে, কোন ডাক্তার কাউকে দেখে বিদেশে যাবে বলে দিতে পারে। অবাক কান্ড তাঁর ভবিষ্যত বাণী ফলেছিল। তবে তা সফল হতে আমাকে এক প্রজন্ম অপেক্ষা করতে হয়েছিল।
চট্টগ্রাম কলেজে পদোন্নতি পেয়েই পারসিভিল হিলে বাসার জন্য দরখাস্ত করলেও তা পেতে চার বছর অপেক্ষা করতে হল। বাসা যখন পেলাম তার এক মাস পরেই নোয়াখালী কলেজে পদোন্নতি পেলাম।  চার বছর ধরে অপেক্ষমান অন্য একজন সহকর্মীকে আমার বাসা বরাদ্দ দেয়াতে সেই বাসা ছেড়ে নোয়াখালীতে বাসা নিতে হল।
নোয়াখালী সরকারি আবাসিক এলাকায় ডি- টাইপের একটি বাসা খালি হলে আমি যথারীতি দরখাস্ত করলাম। ঘটনাক্রমে ৩ প্রার্থী সবাই আমরা নোয়াখালী কলেজে কর্মরত । আমরা দুইজন সহযোগী অধ্যাপক এবং অপরজন সহকারী অধ্যাপক। অপর দুইজন আগে থেকেই বি- টাইপে বসবাস করছে এবং আমি সুদূর চট্টগ্রাম থেকে আসছি বলে আমার অগ্রাধিকার এই বিশ্বাস ছিল। কিন্তু বাস্তবে দেখতে পেলাম আমাদের দুইজন সিনিয়র কর্মকর্তাকে ডিঙ্গিয়ে জুনিয়রকে বাসা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে । এ ব্যাপারটি ডিসির নজরে আনলে তিনি  এর ব্যাখ্যা চান। যুক্তি দেখানো হল যে, জুনিয়র হলেও তাঁর সন্তান ১০/১২ জন, পক্ষান্তরে  সিনিয়রদের প্রত্যেকের দুজন করে সন্তান। তখন ডিসি রায় দিলেন আমাকেই বাসা বরাদ্দ দিতে, তিনি পাল্টা যুক্তি দেখালেন যে, সরকারি অনুশাসন হচ্ছে যে, দুটি সন্তানই যথেষ্ট । তাই সরকার দুই সন্তানবিশিষ্ট পরিবারকেও পুরষ্কৃত করবে , দুইয়ের অধিক সন্তান বিশিষ্ট পরিবারকে নয়। এই বাসায়ই আমি ১২ বছরের বসবাস করেছি। কিন্তু  আমি শরীয়তপুর কলেজে বদলী হলে আমাকে বাসা ছেড়ে দিতে নোটিশ দেয়া হয়। বড় মেয়ে নিমুন সেবার এইচ এসসি পরীক্ষার্থী বলে কিছুদিন সময় চাই। এরই মধ্যে পূনরায় নোয়াখালী কলেজে ফিরে এসে রক্ষা পাই। আবার আমি খাগড়াছডড়ি কলেজে বদলী হলে একই সমস্যার সম্মুখীন হলাম। এবার ছোট মেয়ে সিমুন এইচ এসসি পরীক্ষার্থী দোহাই দিয়ে তার পরীক্ষার পরপরই চট্টগ্রামে প্রাইভেট বাসায় চলে আসি।
বাসা পরিবর্তনের নানা সমস্যার সমাধানের জন্য প্রিয় সহকর্মীরা বাড়ী বানানের পরামর্শ দিতেন। কিন্তু বদলী যোগ্য চাকরী, কখন কোথায় বদলী হই। তাই কর্মস্থলে স্থায়ী বাসস্থান বানাতে সাহসী হই নি।
আমার দুই কন্যাই চুয়েট ( চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ) ভর্তি হলে তারা আমার মত দেশেই চাকরী করবে এরূপ আশা করেছিলাম। এই প্রত্যাশা আরো দৃঢ় হল যখন বড় মেয়ে নিমুনের সাথে চুয়েটের শিক্ষক কামরানের বিয়ে অনুষ্ঠিত হল ।এই ধারণা আরো প্রবল হল যখন নিমুন চমকপ্রদ ফলাফল করল। কামরান সেখানের শিক্ষকই নয়, যোগ্যতা বলে সে বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার্স সাইন্স খোলে বিভাগ পরিচালনারও নেতৃত্ব পেয়েছিল।তাই আমার প্রত্যাশাটা একটু বেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু মানুষ ভাবে এক হয় আরেক। আমার মনবাঞ্চা পূর্ণ হল না পূরুষ শিক্ষকদের রক্ষনশীল মনোভাবের জন্য। কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের পরেও তার যোগ্যতা অনুযায়ী অন্যত্র তেমন আকর্ষনীয় চাকরী মিলেনি। এ সময়েই কামরানের কানাডাস্থ ম্যাক মাস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে  এমএস করার স্কলারশিপ  পাওয়াতে তাদেরকে বিদেশ যেতে বারণ করার মত যুক্তি দাঁড় করাতে পারলাম না। ফলে দু:খ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে  শাহাজালাল বিমান বন্দরে তাদেরকে বিদায় জানাতে হল। মন বিষন্ন হল যে,  আমাদের দেশে মেধাগুলি আমরা ধরে রাখতে পারি না। আমাদের দেশে লালিত পালিত হয়ে তারা তাদের জ্ঞান ও প্রজ্ঞা ব্যয় করে ভিন্নদেশের উন্নতি করে। তাদেরকে অনেকে স্বার্থপর বলে অভিহিত করে। এরূপ ঢালাও মন্তব্যের আগে আমাদেরকে অবশ্যই নিশ্চিত হতে হবে, আমাদের ছেলে- মেয়েদের জন্য তাদের যোগ্যতা অনুসারে সম্মানজনক কর্ম সংস্থান করতে পেরেছি কিনা  এবং যোগ্য ব্যক্তি যোগ্য স্থানে প্রতিষ্ঠিত হবার সুযোগ পাচ্ছে কিনা?
এদিকে ছোট মেয়ে সিমুন ও তার স্বামী নাভিদ আহমেদ উভয়েই বাখরাবাদে গ্যাসফিল্ডে চাকরি পাওয়াতে আমার দু:শ্চিন্তা অনেকটা দূর হল। সরকারি ফ্ল্যাট কিনার জন্য উঠে পড়ে লাগলাম।গণপূর্ত বিভাগের হাউজিং সোসাইটি কতৃক মিরপুরে নির্মিতব্য ফ্ল্যাটের জন্য যথারীতি দরখাস্ত করলাম। ফরমে দেখতে পেলাম ঢাকাতে জমি বা বাড়ী নেই এরূপ অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কর্মচারীর ক্ষেত্রে প্রাপ্যতার চান্স ৯০%  উপরে । গণপুর্ত বিভাগের মাননীয় মন্ত্রীর উপস্হিতিতে যথারীতি লটারী ড্র এর মাধ্যমে ফ্ল্যাট বরাদ্দ হল। কিন্ত ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, আমার নাম ড্রতে নাকি উঠে নি। খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম সেই অফিসের একজন সহকারী একাই দুটি ফ্ল্যাট পেয়েছে। শুনেছি, এই ড্র নাকি শুভঙ্করের ফাঁকি, যা হাতে হাতে পেলাম।
এদিকে কানাডা থেকে নিমুনের ছেলে নিহান হবার সুসংবাদ পেয়ে নানা হবার আনন্দে বিদ্যুৎ গতিতে সেখানে পৌছে যাই । সে যে আসা আর কোন দিন ফেরা হল না। ৪ বছরের মাথায় নিমুন আমাদের নিয়ে একবার  এক মাসের জন্য দেশে আসলেও আমাদের ফেরার  টিকেট করেছিল ৪ মাস পর। আমাদের এই নাতির মায়ায়  ফিরে এলাম। সিমুন আমাদের এবং একমাত্র বোন নিমুন স্থায়ীভাবে কানাডায় চলে আসায় একা একা বোধ করছিল। পক্ষান্তরে নিমুনও একমাত্র বোনকে এত দূরে রেখে এসে স্বস্তি বোধ করছিল না । সে সিমুনকেও কানাডা চলে আসার তাগিদ দিতে থাকলো। তার যুক্তি ছিল আমার সন্তানরা বিদেশে প্রতিপালিত হবে আর তার সন্তানের দেশে পড়ে থাকবে ? তাই তারাও  আসতে চেষ্টা  চালালো। নাভিদ ম্যাক মাস্টার্সে এমএস করার চান্স পেয়ে তারাও চলে আসে। সিমুনও   কনকোডিয়া বিশ্ববিদ্যালয় হতে এমএস সম্পন্ন করে। বর্তমানে তারা উভয়েই OPG অর্থাৎ অন্টারিও পাওয়ার জেনারেশনে কর্মরত। তাই আমার বাংলাদেশে গিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাসের চিন্তা বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এখন কেবল মৃত্যুর প্রহর গুনছি। এদিকে ভাইয়েরা আমাদের পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করার জন্য জায়গা ঠিক করে রেখেছে। কিন্তু মৃত্যু কখন হবে কোথায় হবে কেউ তো জানে না। তাই পরকালে অনন্তকাল যেখানে থাকতে হবে সেই কবর কোথায় হবে ? আল্লাহ দয়াময়, আমার সব অপরাধ ক্ষমা করে কবরে এহসান কর ও স্থায়ী বাসস্থান জান্নাতুল ফেরদাউস দান কর।
-আল মামুন জাহানগীর: শিক্ষাবিদ, বর্তমানে কানাডা প্রবাসী।
0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published.

একই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2021 Chardike24.com
ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট @ ইজি আইটি সল্যুশন