1. masudkhan89@yahoo.com : admin :
  2. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
  3. news.chardike24@gmail.com : চারদিকে ২৪.কম : রাইসা আক্তার
বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ০১:১১ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশ-ইউরোপ সরাসরি জাহাজ চলাচল শুরু

  • আপডেট সময়: শনিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ১৬ দেখেছেন

বাণিজ্য ডেস্ক: চট্টগ্রাম বন্দর ও ইউরোপের বন্দরের মধ্যে শুরু হয়েছে সরাসরি কনটেইনার জাহাজ চলাচল। এর ফলে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য; বিশেষ করে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে যোগ হলো নতুন মাত্রা। সাশ্রয় হবে সময় ও অর্থ। ইউরোপের বাজারে পণ্য রপ্তানি হবে সহজতর।

জাহাজ চলাচলের মাধ্যমে বাংলাদেশ-ইউরোপ সমুদ্র বাণিজ্যে খুলে গেল নতুন দুয়ার।

ইউরোপে পণ্য রপ্তানি হয় ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দরের মাধ্যমে। এতে  যথাসময়ে ক্রেতার কাছে পণ্য পৌঁছানো অনেক সময় সম্ভব হয় না।

সমুদ্রপথে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন হওয়ায়  ইউরোপের বাজারে পণ্য পাঠাতে যেখানে এক থেকে দেড় মাস লাগে, এখন সেখানে লাগবে ১৭ দিন। খরচও কমবে প্রায় ৪০ শতাংশ।

শনিবার দুপুর ১টার দিকে ইতালি থেকে সরাসরি চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি-৪ জেটিতে ভিড়ে এ রুটের প্রথম জাহাজ ‘এমভি সোঙ্গা চিতা’।

গত ১৭ জানুয়ারি এটি ইতালির রেভেনা বন্দর থেকে রওনা দেয়। আসার সময় জাহাজটি নিয়ে এসেছে প্রায় ৯০০টি খালি ও সাতটি পণ্যবোঝাই কনটেইনার। ৭ ফেব্রুয়ারি ইতালির রেভেনা বন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করার কথা রয়েছে জাহাজটির।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক জানান, পোশাক রফতানির গুরুত্ব বিবেচনায় বন্দর কর্তৃপক্ষ ইতালি-চট্টগ্রাম রুটের জাহাজকে বার্থিং, কি গ্যান্ট্রি ক্রেন বরাদ্দসহ সব সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেবে।

সমুদ্র-বাণিজ্য সংশ্লিষ্টরা জানান, এতদিন চট্টগ্রাম থেকে ফিডার জাহাজ রপ্তানি পণ্য নিয়ে যেত সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কার কলম্বো ও মালয়েশিয়ার পোর্ট কেলাংয়ের মতো ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দরে। সেখান থেকে বড় জাহাজে তুলে সেই পণ্য নিয়ে যাওয়া হতো ইউরোপ-আমেরিকার দেশগুলোতে। চট্টগ্রাম থেকে ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দরে পাঠানো এবং সেখান থেকে পুনরায় ক্রেতার কাছে পণ্য পৌঁছাতে সময় ও ব্যয় বেশি হতো।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যে জাহাজটি শনিবার চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে তা পাঠিয়েছেন মূলত তৈরি পোশাক ক্রেতারা। বড় রফতানিকারক ও বায়াররা জোট করেই এ রুটে আপাতত জাহাজ আনবেন বলে জানা গেছে। করোনার স্থবিরতায় জাহাজ সংকটসহ নানা জটিলতায় বাংলাদেশের উৎপাদিত গার্মেন্টপণ্য বিদেশি ক্রেতাদের কাছে পাঠাতে চরম বেগ পেতে হচ্ছিল বেশ কিছুদিন ধরে। এ অবস্থায় ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোট বাংলাদেশ থেকে পণ্য নিতে নিজেরাই জাহাজ পাঠাতে রাজি হয়েছে।

বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে ইউরোপের সরাসরি জাহাজ চলাচল একটা বড় অর্জন। এখন সময় মতো ক্রেতার কাছে পণ্য পাঠানো সম্ভব হবে। আসার সময় এই রুটের জাহাজগুলো খালি কনটেইনার নিয়ে আসতে পারবে। তাই কনটেইনারের সংকটও হবে না।

সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, প্রাথমিক অবস্থায় একটি বিদেশি শিপিং কোম্পানির দুটি জাহাজ এই রুটে চলাচল করবে। এর একটি হলো এমভি সোঙ্গা চিতা ও অপরটি ক্যাপ ফ্লোরেস। প্রতি মাসে অন্তত একটি করে ট্রিপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। রুটটি জনপ্রিয় হলে পর্যায়ক্রমে তারা আরও জাহাজ বাড়াতে পারে।

এমনকি ইউরোপের অন্যান্য বন্দরেও সরাসরি পণ্য নিয়ে যেতে পারে। অন্য শিপিং কোম্পানিও জাহাজ চালাতে পারে।

জাহাজ দুটির লোকাল এজেন্ট রিলায়েন্স শিপিং অ্যান্ড লজিস্টিকসের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রাশেদ জানান, ইউরোপের সঙ্গে সরাসরি জাহাজ যোগাযোগ একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে জাহাজ ভাড়া বিদেশি ক্রেতাই বহন করে থাকে। তাই কোন জাহাজে পণ্য পাঠানো হবে তা নির্ভর করে ক্রেতার পছন্দ-অপছন্দের ওপর।

0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published.

একই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2021 Chardike24.com
ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট @ ইজি আইটি সল্যুশন