নারী পরিবারের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তার ত্যাগ, শ্রম এবং মমতা আবদ্ধ রাখে পরিবারের সকল সদস্যদের।
আর তাই সুস্থ জাতি গঠনের জন্য নারীর সুস্থতা খুব গুরুত্বপূর্ণ। নারীর অধিকারে স্বাস্থ্য অধিকার অত্যন্ত জরুরি হলেও এ সম্পর্কিত আলোচনা নেই বললেই চলে।
বর্তমান সময়ে একজন নারী ঘরে,কর্মস্থলে, সন্তান পালনে দ্বায়িত্ব পালন করলেও নিজের সুস্থতার জন্য যথেষ্ট মনোযোগী হতে পারে না। অথচ নারীর সুস্থতায়,নারীর অধিকার নিশ্চিত করনে নারীর নিজেকেই সচেতন হতে হবে। সাধারণত বয়স ৩০ পেরোলেই একজন নারীর নিজেকে ফিট রাখতে কিছু বিষয়ে অবশ্যই নজর দিতে হবে:
খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন:
খাদ্য তালিকা থেকে শর্করা জাতীয় খাবারের পরিমান কমিয়ে দিতে হবে।সেই সাথে শাক-সব্জির পরিমান বাড়িয়ে দিতে হবে। হাড়ের সুস্থতার জন্য এক গ্লাস দুধ/এক বাটি দই খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।চিনি, ভাজাপোড়া, বাইরের খাবার এড়িয়ে যেতে হবে।
নিয়মিত ব্যায়াম:
নিয়মিত শরীর চর্চার অভ্যাস করতে হবে।জিমে যাওয়ার সুযোগ না থাকলেও সপ্তাহে অন্তত ৪-৫ দিন সকালের খোলা হাওয়ায় ৩০ – ৪০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করতে হবে,যা একিসাথে শরীর সুস্থ রাখবে এবং মন ও ভালো রাখবে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন:বয়স বাড়ার সাথে সাথে বাড়তি ওজন হতে পারে নানান রোগের কারন তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
শারীরিক চেকআপ:
মেয়েদের জরায়ু, ব্রেস্ট সহ অন্যান্য শারীরিক কোনো সমস্যা আছে কিনা তা জানার জন্য একটা নির্দিষ্ট সময় পরপর শারীরিক পরীক্ষা-নীরিক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।
রূপচর্চা:
মন ভালো রাখতে নিজের সৌন্দর্যের প্রতি মনোযোগী হোন।রান্নার সময়ে কিংবা বাইরে বের হলে সানস্ক্রিন লাগাতে ভুলবেন না,সেই সাথে ঘরোয়া উপকরনে রুপচর্চার অভ্যাস তৈরি করুন।
নিজের জন্য একটু খানি সময়:
সংসার,সন্তান,কর্মস্থল সব দ্বায়িত্বের মাঝেও নিজের জন্য বের করুন খানিকটা সময়।
এ সময়টা একান্ত আপনার নিজের হোক,আপনার পছন্দের কোনো গান শুনুন, প্রিয় খাবার টি বানিয়ে নিজেকেই চমকে দিন,বৃষ্টি তে ভিজুন,অথবা পা য়ে আলতা মেয়ে সারা বিকেল কাটিয়ে দিন,অথবা লিখুন প্রিয়জন কে চিঠি,যেখানে ঝড়ে পরবে জমানো সকল অভিমান অভিযোগ।
সব শেষে নারী আপনি হাসুন,নিজেকে ভালোবাসুন,দিনশেষে আপনি একান্তই আপনার,আর তাই নিজের জন্য বাঁচুন হে প্রিয় নারী।